অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামালের এক ঘোষণায় বদলে গেছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্রামীণফোনের (জিপি) শেয়ারের বাজারচিত্র। গত কিছুদিন ধরে ব্লুচিপ কোম্পানির যে শেয়ারটি থেকে বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে বের হয়ে যাচ্ছিলেন, বৃহস্পতিবার সেই শেয়ার বিক্রি করতে তেমন কেউই আগ্রহী নন। অন্যদিকে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। এতে শেয়ারটি হল্টেড হয়ে পড়েছে। বেলা পৌনে দুইটায় প্রায় ৮ লাখ শেয়ার কেনার প্রস্তাব থাকলেও শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব ছিল না একটিও।
তখন পর্যন্ত সর্বশেষ লেনদেনটি হয়েছে ৩৩৫ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৭ টাকা বা ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। গতকাল বুধবার শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য ছিল ৩০৮ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতি বার এর লেনদেন শুরু হয় ৩২০ টাকা দরে। আজকে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দাম ছিল ৩১৭ টাকা, আর সর্বোচ্চ দাম ৩৩৫ টাকা ৩০ পয়সা।
গত কয়েক মাস ধরে টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের। বিটিআরসি এক বিশেষ নিরীক্ষার বরাত দিয়ে কোম্পানিটির সাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে বলে দাবি করেছে। বিটিআরসির এই দাবি মোতাবেক কোম্পানিটি টাকা পরিশোধে সম্মত না হওয়ায় নানা ভাবে এর উপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখা হয়। প্রথমে থ্রিজি ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দেওয়া হয়। পরে কোম্পানিটিকে লাইসেন্স বাতিলের নোটিস দেয় বিটিআরসি। এসব ঘটনায় কোম্পানিটির ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অনেকেই শেয়ার বিক্রি করে দিতে থাকেন। তাতে শেয়ারটির দাম ব্যাপকভাবে কমে যায়।
বুধবার অর্থমন্ত্রী বিটিআরসি, এনবিআর এবং গ্রামীণফোন ও রবির সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, তারা আইনী ব্যবস্থা নয়, আলোচনার মাধ্যমে ৩ সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান করবেন। অন্যদিকে বিটিআরসি গ্রামীনফোনের লাইসেন্স বাতিলের নোটিস প্রত্যাহার করে নেবে। এতে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ অনেকটাই কেটে গেলে কোম্পানিটির শেয়ার মূল্যে তার প্রভাব পড়ে।
তখন পর্যন্ত সর্বশেষ লেনদেনটি হয়েছে ৩৩৫ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৭ টাকা বা ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। গতকাল বুধবার শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য ছিল ৩০৮ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতি বার এর লেনদেন শুরু হয় ৩২০ টাকা দরে। আজকে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দাম ছিল ৩১৭ টাকা, আর সর্বোচ্চ দাম ৩৩৫ টাকা ৩০ পয়সা।
গত কয়েক মাস ধরে টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের। বিটিআরসি এক বিশেষ নিরীক্ষার বরাত দিয়ে কোম্পানিটির সাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে বলে দাবি করেছে। বিটিআরসির এই দাবি মোতাবেক কোম্পানিটি টাকা পরিশোধে সম্মত না হওয়ায় নানা ভাবে এর উপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখা হয়। প্রথমে থ্রিজি ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দেওয়া হয়। পরে কোম্পানিটিকে লাইসেন্স বাতিলের নোটিস দেয় বিটিআরসি। এসব ঘটনায় কোম্পানিটির ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অনেকেই শেয়ার বিক্রি করে দিতে থাকেন। তাতে শেয়ারটির দাম ব্যাপকভাবে কমে যায়।
বুধবার অর্থমন্ত্রী বিটিআরসি, এনবিআর এবং গ্রামীণফোন ও রবির সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, তারা আইনী ব্যবস্থা নয়, আলোচনার মাধ্যমে ৩ সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান করবেন। অন্যদিকে বিটিআরসি গ্রামীনফোনের লাইসেন্স বাতিলের নোটিস প্রত্যাহার করে নেবে। এতে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ অনেকটাই কেটে গেলে কোম্পানিটির শেয়ার মূল্যে তার প্রভাব পড়ে।
No comments:
Post a Comment