এসইসির প্রজ্ঞাপন জারি
সিকিউরিটিজি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ও ন্যূনতম শেয়ার ছাড়ার শর্ত শিথিল করেছে। শর্ত অনুযায়ী বর্তমান এবং আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহের জন্য প্রস্তাবিত তহবিল মিলিয়ে কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি হলে ওই কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে পারবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে কমপক্ষে ১২ কোটি টাকার শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এসইসি। এরআগে ১৯ অক্টোবর কমিশন সভায় এ সংক্রান্ত কার্যবিবরণী অনুমোদন করে ছিল এসইসি।
তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ারের পরিমাণ কোম্পানির মোট শেয়ারের ১০ শতাংশের কম হতে পারবে না। এছাড়া শেয়ারের মার্কেট লট ১ হাজার টাকার মধ্যে রাখার বিধান রাখা হয়েছে। এসইসির জারি করা প্রজ্ঞাপনে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে অবকাঠামো, জ্বালানী ও বিদ্যুৎখাতের কোম্পানিগুলোর জন্য তালিকাভুক্তির নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। এসব কোম্পানি এক বছরের বানিজ্যিক কর্মকান্ড ও লভ্যাংশ থাকলেই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আবেদন করতে পারবে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও কেনার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নির্দেশক মূল্যের জন্য আয়োজিত রোড শো’তে অংশগ্রহণ না করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিডিংয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
অন্যদিকে এসইসির এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে শেয়ারবাজারে কম মূলধনের ছোট কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির পথ সুগম হলো।
এ ব্যাপারে অর্থনীতিবীদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজার থেকে আইপিও মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কম মূলধনের কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তিতে আর কোন বাধা থাকলো না। এতে ছোট ছোট কোম্পানি সহজেই বাজারে আসতে পারবে।
ডিএসইর সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, একটু দেরিতে হলেও এসইসি একটি ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি অবশ্যই শেয়ার সরবরাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উলে¬খ্য, আগে ৪০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের কোনো কোম্পানির জন্য শেয়ারবাজারে আসার সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
No comments:
Post a Comment