টানা দরপতনের পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক সামান্য বেড়েছে। সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট। এ নিয়ে গত ৬ কার্যদিবস পর এ সূচক বাড়লো। তবে লেনদেন কমেছে ব্যাপকহারে। লেনদেন হয়েছে ১১৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। এর আগে সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর এর চেয়ে কম ১০৯ কোটি ৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল ডিএসইতে। লেনদেন হওয়া কো¤পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এদিকে বরাবরের মতো গতকালও ডিএসইর রাস্তার সামনে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এসইসি’র ২সিসি ধারার বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটের নিষ্পত্তি না হওয়ায় বাজারে লেনদেন কমেছে। তাদের মতে, রিটের রায় কি হয় সে অনুযায়ী তারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবেন বিনিয়োগকারীরা। কারণ রিটের রায় এসইসির পক্ষে গেলে পরিচালকদের মধ্যে যারা গত ৬ মাসেও নিজ প্রতিষ্ঠানের ২ শতাংশ শেয়ার ক্রয় করেননি, তাদের পদ হারাতে হবে। তবে এ বিষয়ে এসইসি সময় বাড়ালে বাজার থেকে তাদের শেয়ার ক্রয় করতে হবে। তখন চাহিদার সৃষ্টি হবে এবং শেয়ার দর বাড়বে। বিনিয়োগকারীদের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ নেই বলেই বাজারে লেনদেন কম হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরুর পর আধা ঘণ্টায় সূচক বাড়লেও এক ঘণ্টার লেনদেনে সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৯ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২৮৫ পয়েন্ট হয়। তবে সাড়ে ১১টার পর সূচক আবার বাড়তে শুরু করে। সাড়ে ১২টায় সাধারণ সূচক বেড়ে হয় ৪ হাজার ৩২৭ পয়েন্ট। এরপর কিছুটা ওঠানামা করে বেলা দেড়টায় সাধারণ সূচক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩২৭ পয়েন্ট হয়। এর আগে সকালে লেনদেনের শুরুতে প্রথম আধা ঘণ্টায় সাধারণ সূচক প্রায় ৬০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচক পড়তে শুরু করলে আগের দিনের মতোই ডিএসই ভবনের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভে নামেন বিনিয়োগকারীরা। এ সময় তাদের মাথায় কাফনের প্রতীক হিসাবে সাদা কাপড় বাঁধা দেখা যায়। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৬২টি কো¤পানির ২ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার ৩৭৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এদিন ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ১১৮ কোটি ৫৪ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৫ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪.৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪৩০০.১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মোট লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি ৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা কম। আর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২০.৫৬৬৫ পয়েন্ট কমে ১৩০১৬.৯১৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন লেনদেনকৃত ১৭৬টি কো¤পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮২ টির কমেছে ৭৬ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। বাজার মূলধন দাড়িয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকায়। লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইর প্রধান ১০টি কো¤পানি হলোÑ বিএসসিসিএল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, স্কয়ার ফার্মা, এনবিএল, এমআই সিমেন্ট, যমুনা অয়েল ও বেক্সিমকো লি.। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০ টি কো¤পানিটি হলোÑ জিবিবি পাওয়ার, মুন্নু স্টাফলার, আইসিবি ১ম এনআরবি, ইউনাইটেড ইন্সু., এআইবিএল ১ম মিউঃ ফান্ড, লিগেসি ফুটওয়্যার, সাফকো স্পিনিং, ফার্স্ট সিকিঃ ব্যাংক, এএমসিএল (প্রাণ) ও ম্যাকসন স্পিনিং। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০ টি কো¤পানি হলোÑ এনএলআই ১ম মিউঃ ফান্ড, পাওয়ারগ্রীড, রিলায়েন্স ইন্সুঃ, দেশ গার্মেন্টস, উসমানিয়া গ্লাস, গ্রিনডেল্টা লাইফ ইন্সুঃ, সেন্ট্রাল ইন্সুঃ, গ্লোবাল ইন্সুঃ, রহিম টেক্সটাইল ও সোনারগাঁও টেক্সটাইল।
শেয়ারবাজার, পুঁজিবাজার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএসই, বিএসইসি, সিএসই, মার্চেন ব্যাংক, বিএমবিএ, বন্ড, শেয়ার, সিকিউরিটিজ, ব্রোকারেজ হাউজ, বিনিয়োগকারী,
Thursday, June 21, 2012
দরপতন থামলো, সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট
টানা দরপতনের পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক সামান্য বেড়েছে। সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট। এ নিয়ে গত ৬ কার্যদিবস পর এ সূচক বাড়লো। তবে লেনদেন কমেছে ব্যাপকহারে। লেনদেন হয়েছে ১১৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। এর আগে সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর এর চেয়ে কম ১০৯ কোটি ৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল ডিএসইতে। লেনদেন হওয়া কো¤পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এদিকে বরাবরের মতো গতকালও ডিএসইর রাস্তার সামনে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এসইসি’র ২সিসি ধারার বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটের নিষ্পত্তি না হওয়ায় বাজারে লেনদেন কমেছে। তাদের মতে, রিটের রায় কি হয় সে অনুযায়ী তারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবেন বিনিয়োগকারীরা। কারণ রিটের রায় এসইসির পক্ষে গেলে পরিচালকদের মধ্যে যারা গত ৬ মাসেও নিজ প্রতিষ্ঠানের ২ শতাংশ শেয়ার ক্রয় করেননি, তাদের পদ হারাতে হবে। তবে এ বিষয়ে এসইসি সময় বাড়ালে বাজার থেকে তাদের শেয়ার ক্রয় করতে হবে। তখন চাহিদার সৃষ্টি হবে এবং শেয়ার দর বাড়বে। বিনিয়োগকারীদের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ নেই বলেই বাজারে লেনদেন কম হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরুর পর আধা ঘণ্টায় সূচক বাড়লেও এক ঘণ্টার লেনদেনে সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৯ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২৮৫ পয়েন্ট হয়। তবে সাড়ে ১১টার পর সূচক আবার বাড়তে শুরু করে। সাড়ে ১২টায় সাধারণ সূচক বেড়ে হয় ৪ হাজার ৩২৭ পয়েন্ট। এরপর কিছুটা ওঠানামা করে বেলা দেড়টায় সাধারণ সূচক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩২৭ পয়েন্ট হয়। এর আগে সকালে লেনদেনের শুরুতে প্রথম আধা ঘণ্টায় সাধারণ সূচক প্রায় ৬০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচক পড়তে শুরু করলে আগের দিনের মতোই ডিএসই ভবনের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভে নামেন বিনিয়োগকারীরা। এ সময় তাদের মাথায় কাফনের প্রতীক হিসাবে সাদা কাপড় বাঁধা দেখা যায়। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৬২টি কো¤পানির ২ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার ৩৭৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এদিন ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ১১৮ কোটি ৫৪ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৫ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪.৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪৩০০.১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মোট লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি ৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা কম। আর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২০.৫৬৬৫ পয়েন্ট কমে ১৩০১৬.৯১৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন লেনদেনকৃত ১৭৬টি কো¤পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮২ টির কমেছে ৭৬ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। বাজার মূলধন দাড়িয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকায়। লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইর প্রধান ১০টি কো¤পানি হলোÑ বিএসসিসিএল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, স্কয়ার ফার্মা, এনবিএল, এমআই সিমেন্ট, যমুনা অয়েল ও বেক্সিমকো লি.। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০ টি কো¤পানিটি হলোÑ জিবিবি পাওয়ার, মুন্নু স্টাফলার, আইসিবি ১ম এনআরবি, ইউনাইটেড ইন্সু., এআইবিএল ১ম মিউঃ ফান্ড, লিগেসি ফুটওয়্যার, সাফকো স্পিনিং, ফার্স্ট সিকিঃ ব্যাংক, এএমসিএল (প্রাণ) ও ম্যাকসন স্পিনিং। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০ টি কো¤পানি হলোÑ এনএলআই ১ম মিউঃ ফান্ড, পাওয়ারগ্রীড, রিলায়েন্স ইন্সুঃ, দেশ গার্মেন্টস, উসমানিয়া গ্লাস, গ্রিনডেল্টা লাইফ ইন্সুঃ, সেন্ট্রাল ইন্সুঃ, গ্লোবাল ইন্সুঃ, রহিম টেক্সটাইল ও সোনারগাঁও টেক্সটাইল।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment