পুঁজিবাজারের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। কোরাম সঙ্কটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না এসইসি। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ভেঙে পড়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টারা। কমিশনের সদস্য তিনজন। ইতোমধ্যে দুজন পদত্যাগ করায় কোরাম অপূর্ণ থাকায় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হিমসিম খাচ্ছে সংস্থাটি।
এ ছাড়া পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার মূল দায়িত্ব এসইসি’র। কিন্তু বর্তমানে এসইসিতে বিরাজ করছে নেতৃত্বশূন্যতা। কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাও তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় এসইসি নিষ্ক্রীয় সংস্থায় পরিণত হতে চলেছে কি না- এমন প্রশ্নও তুলেছেন বিনিয়োগকারীরা।
জানা যায়, পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এসইসির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে কমিটি এসইসি সংস্কারের সুপারিশ করেছে। এরই পরিপ্রেেিত সরকার এসইসি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এসইসির জন্য নতুন চেয়ারম্যান খোঁজা হচ্ছে বলা হলেও, এখন পর্যন্ত কাউকে চূড়ান্ত করা হয়নি। অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ায় তারাও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারছেন না।
কমিশনের সঙ্ঘবিধি অনুযায়ী নীতিনির্ধারণে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই তিন সদস্যের কোরাম পূর্ণ হতে হবে। এতদিন চেয়ারম্যান ও ওই দুই সদস্য ইয়াছিন আলী এবং আনিসুজ্জামানকে নিয়ে চলছিল কমিশনের কার্যক্রম। দুই সদস্য পদত্যাগের পর নতুন করে শুধু একজন সদস্য হেলাল উদ্দিন নিযামীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ফলে বর্তমানে চেয়ারম্যানসহ কমিশনে দুজন সদস্য রয়েছেন।
এদিকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে এসইসির ১০ ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ১০ কর্মকর্তার আত্তীকরণকে কেন্দ্র করে এখন অর্থ ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে টানাহেঁচড়া চলছে। সংস্থাপন মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে এসইসি আত্তীকরণ করায় তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করতে বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর চাকরি করার পর তারা নিজেদের পদে বহাল থাকা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন।
গত ৬ এপ্রিল এসইসি থেকে আত্তীকৃত ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের মনোনয়ন প্রদানের আবেদন জানিয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে কমিশনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লোকবলের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ অবস্থায় কমিশনে কর্মরত অভিজ্ঞ এবং পূর্বে আত্তীকৃত ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হলে কমিশনের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসেনি। ফলে এসইসির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উদ্বৃত্ত কর্মকর্তারা।
সবমিলিয়ে এসইসির জনবল কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। তাই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি কোনো কার্যকর পদপে নিতে পারছে না।
এ ব্যাপারে বাজার বিশ্লেষক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদের মতে, এসইসি এখন ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। পুঁজিবাজারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। যে কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তিনি বলেন, সরকারের উচিত ছিল সবার আগে এসইসির বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে এর পুনর্গঠন করা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক সিইও সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, এসইসির বিধি অনুযায়ী তিন সদস্য না থাকায় কোরাম অপূর্ণ রয়েছে। ফলে তারা নীতিনির্ধারণী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। এটা বিনিয়োগকারীসহ সামগ্রিক বাজারকে প্রভাবিত করছে।
এ ছাড়া পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার মূল দায়িত্ব এসইসি’র। কিন্তু বর্তমানে এসইসিতে বিরাজ করছে নেতৃত্বশূন্যতা। কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাও তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় এসইসি নিষ্ক্রীয় সংস্থায় পরিণত হতে চলেছে কি না- এমন প্রশ্নও তুলেছেন বিনিয়োগকারীরা।
জানা যায়, পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এসইসির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে কমিটি এসইসি সংস্কারের সুপারিশ করেছে। এরই পরিপ্রেেিত সরকার এসইসি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এসইসির জন্য নতুন চেয়ারম্যান খোঁজা হচ্ছে বলা হলেও, এখন পর্যন্ত কাউকে চূড়ান্ত করা হয়নি। অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ায় তারাও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারছেন না।
কমিশনের সঙ্ঘবিধি অনুযায়ী নীতিনির্ধারণে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই তিন সদস্যের কোরাম পূর্ণ হতে হবে। এতদিন চেয়ারম্যান ও ওই দুই সদস্য ইয়াছিন আলী এবং আনিসুজ্জামানকে নিয়ে চলছিল কমিশনের কার্যক্রম। দুই সদস্য পদত্যাগের পর নতুন করে শুধু একজন সদস্য হেলাল উদ্দিন নিযামীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ফলে বর্তমানে চেয়ারম্যানসহ কমিশনে দুজন সদস্য রয়েছেন।
এদিকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে এসইসির ১০ ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ১০ কর্মকর্তার আত্তীকরণকে কেন্দ্র করে এখন অর্থ ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে টানাহেঁচড়া চলছে। সংস্থাপন মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে এসইসি আত্তীকরণ করায় তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করতে বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর চাকরি করার পর তারা নিজেদের পদে বহাল থাকা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন।
গত ৬ এপ্রিল এসইসি থেকে আত্তীকৃত ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের মনোনয়ন প্রদানের আবেদন জানিয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে কমিশনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লোকবলের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ অবস্থায় কমিশনে কর্মরত অভিজ্ঞ এবং পূর্বে আত্তীকৃত ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হলে কমিশনের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসেনি। ফলে এসইসির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উদ্বৃত্ত কর্মকর্তারা।
সবমিলিয়ে এসইসির জনবল কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। তাই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি কোনো কার্যকর পদপে নিতে পারছে না।
এ ব্যাপারে বাজার বিশ্লেষক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদের মতে, এসইসি এখন ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। পুঁজিবাজারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। যে কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তিনি বলেন, সরকারের উচিত ছিল সবার আগে এসইসির বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে এর পুনর্গঠন করা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক সিইও সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, এসইসির বিধি অনুযায়ী তিন সদস্য না থাকায় কোরাম অপূর্ণ রয়েছে। ফলে তারা নীতিনির্ধারণী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। এটা বিনিয়োগকারীসহ সামগ্রিক বাজারকে প্রভাবিত করছে।

No comments:
Post a Comment