টানা দুই কার্যদিবস লেনদেন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন চালুর প্রথম দিনেই ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা ফিরতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এদিন সাধারণ সূচক ও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বেড়েছে। দিন শেষে মূল্যসূচক বেড়েছে ৪৯৪.৭৩ পয়েন্ট বা সাত দশমিক ৮২ শতাংশ।
এদিকে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে। এর ফলে লেনদেন শুরুর মাত্র ৪২ মিনিটের মাথায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করায় ২০০টি কোম্পানির শেয়ার বেচা-কেনা স্বংয়ক্রিয়ভাবে হল্ট হয়েছে। এছাড়াও বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না।
দিনশেষে ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৮টির এবং কমেছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
বাজারের এ আচারণ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। তারা বলেছেন, সোমবার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনে। এর ফলে কোম্পানিগুলোর দাম বৃদ্ধি বা কমার সীমা আগের থেকে কমে আসায় বাজারে স্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, আজকের (গতকাল) বাজারের আচারণ খুবই ভাল এবং স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করেছে। পুঁজিাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তে এ অবস্থা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাজারের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে। সরকারের সিদ্ধান্ত সময়পোযুগী হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শেয়ারের দরে সার্কিট ব্রেকার না থাকলে সূচক আবারও হাজার পয়েন্টর কাছে চলে যেত এবং বাজার অস্বাভাবিক হতো। সাকির্ট ব্রেকার থাকায় অস্বাভাবিক অচারণ থেকে রক্ষা পেয়েছে পুঁজিবাজার। তবে গতকাল বাজারে বিক্রেতা কম থাকায় লেনদেন কম হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি আশাবাদী আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজার আরও স্বাভাািবক হবে এবং বিক্রেতা বাড়বে।
লেনদেন কমে যাওয়ার ব্যাপারে বিনিয়োগকারীরা বলেন, টানা দরপতনের কারণে এখনো বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানের মধ্যে রয়েছে। ফলে তারা লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে পারছে না।
তবে তারা জানান, বাজার চাঙা হলেও সার্কিট ব্রেকারের সীমা কমে আসায় তারা আশানুরূপ শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারেননি। তারা আরও জানান, লেনদেনের শুরুর কিছুণের মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছে যায়।
অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলো মার্জিন লোন রেশিও না বাড়ানোর কারণে বিনিযোগকারীরা নতুন করে শেয়ার ক্রয় করতে পারছে না। ফলে লেনদেন কমে গেছে।
জানা যায়, ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটে লেনদেন হওয়া ১৮৮টি কোম্পানির মধ্যে কোম্পানি সার্কিট ব্রেকারের দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা ১৩১টির লেনদেন হল্ট হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, সোমবার এসইসি কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার আগের থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাজারে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৪৯৪.৭৩ পয়েন্ট বা সাত দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৬৮২১.০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে ২০৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোনিম্ন। এর আগে ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ২১২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছি। এর পর ৮ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে ৩৩৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ ছাড়া গত বছরের ১৫ এপ্রিল ৭৭২, গত ১৭ জানুয়ারি ৮৪৮ কোটি ও ৬ জানুয়ারি ডিএসইতে ৯৬৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ ছাড়া গত ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিন হাজার ২৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এই হিসেবে তিন হাজার ৪৩ কোটি টাকা কম লেনদেন হয়। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে- ৩ লাখ ২ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা।
অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১হাজার ১৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৬৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়।
এদিকে সকাল থেকে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জলকামান, টিয়ারসেল নিপেযন্ত্রসহ অবস্থান নেয়। যে কোনো ধরনের নাশকতা এড়াতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান একজন দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় তারা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তল্লাশিও চালায়।
এদিকে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে। এর ফলে লেনদেন শুরুর মাত্র ৪২ মিনিটের মাথায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করায় ২০০টি কোম্পানির শেয়ার বেচা-কেনা স্বংয়ক্রিয়ভাবে হল্ট হয়েছে। এছাড়াও বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না।
দিনশেষে ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৮টির এবং কমেছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
বাজারের এ আচারণ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। তারা বলেছেন, সোমবার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনে। এর ফলে কোম্পানিগুলোর দাম বৃদ্ধি বা কমার সীমা আগের থেকে কমে আসায় বাজারে স্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, আজকের (গতকাল) বাজারের আচারণ খুবই ভাল এবং স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করেছে। পুঁজিাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তে এ অবস্থা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাজারের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে। সরকারের সিদ্ধান্ত সময়পোযুগী হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শেয়ারের দরে সার্কিট ব্রেকার না থাকলে সূচক আবারও হাজার পয়েন্টর কাছে চলে যেত এবং বাজার অস্বাভাবিক হতো। সাকির্ট ব্রেকার থাকায় অস্বাভাবিক অচারণ থেকে রক্ষা পেয়েছে পুঁজিবাজার। তবে গতকাল বাজারে বিক্রেতা কম থাকায় লেনদেন কম হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি আশাবাদী আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজার আরও স্বাভাািবক হবে এবং বিক্রেতা বাড়বে।
লেনদেন কমে যাওয়ার ব্যাপারে বিনিয়োগকারীরা বলেন, টানা দরপতনের কারণে এখনো বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানের মধ্যে রয়েছে। ফলে তারা লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে পারছে না।
তবে তারা জানান, বাজার চাঙা হলেও সার্কিট ব্রেকারের সীমা কমে আসায় তারা আশানুরূপ শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারেননি। তারা আরও জানান, লেনদেনের শুরুর কিছুণের মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছে যায়।
অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলো মার্জিন লোন রেশিও না বাড়ানোর কারণে বিনিযোগকারীরা নতুন করে শেয়ার ক্রয় করতে পারছে না। ফলে লেনদেন কমে গেছে।
জানা যায়, ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটে লেনদেন হওয়া ১৮৮টি কোম্পানির মধ্যে কোম্পানি সার্কিট ব্রেকারের দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা ১৩১টির লেনদেন হল্ট হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, সোমবার এসইসি কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার আগের থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাজারে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৪৯৪.৭৩ পয়েন্ট বা সাত দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৬৮২১.০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে ২০৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোনিম্ন। এর আগে ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ২১২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছি। এর পর ৮ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে ৩৩৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ ছাড়া গত বছরের ১৫ এপ্রিল ৭৭২, গত ১৭ জানুয়ারি ৮৪৮ কোটি ও ৬ জানুয়ারি ডিএসইতে ৯৬৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ ছাড়া গত ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিন হাজার ২৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এই হিসেবে তিন হাজার ৪৩ কোটি টাকা কম লেনদেন হয়। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে- ৩ লাখ ২ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা।
অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১হাজার ১৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৬৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়।
এদিকে সকাল থেকে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জলকামান, টিয়ারসেল নিপেযন্ত্রসহ অবস্থান নেয়। যে কোনো ধরনের নাশকতা এড়াতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান একজন দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় তারা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তল্লাশিও চালায়।
ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোং, ওরিয়ন ইনফিউশনস্, তিতাস গ্যাস, এপেক্স এডালচি, ব্যাংক এশিয়া, ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, গ্রামীণ ফোন, ইষ্টার্ণ ব্যাংক লিঃ ও ইসলামী ব্যাংক লিঃ। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- দেশবন্ধু পলিমার, ১ম জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, এআইবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, সিএমসি কামাল, এক্সিম ব্যাংক, মালেক স্পিনিং, শাহজালাল ব্যাংক, সিনোবাংলা, ইউসিবিএল, জিকিউ বলপেন। দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- শ্যামপুর সুগার, অলটেক্স, ইসলামি ইন্সুরেন্স, সমতা লেদার, ফার্মা এইড, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, মুন্নু জুটেক্স, ডেল্টালাইফ ইন্সুরেন্স, রহিম টেক্সটাইল ও আইসিবি এএমসিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড।
No comments:
Post a Comment