অবশেষে আপডেট তথা নতুনত্ব পেতে যাচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শেয়ার লেনদেন সফটওয়্যার। আপডেট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাবে এ সফটওয়্যারের নাম। বর্তমান টেসা সফটওয়্যারের নাম পরিবর্তন হয়ে নতুন নাম হবে টেসা-এমএসএ প্লাস। টেসা সফটওয়্যারের আপডেট করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ডিএসই অথরাইজদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। চলতি মাসেই এ সফটওয়্যার আপডেট হচ্ছে বলে ডিএসই সূত্র নিশ্চিত করেছে।
উল্লেখ্য, সফটওয়্যার সংক্রান্ত বিষয়টি কার্যকর করার জন্য অক্টোবর মাসে ডিএসই থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে তারা (ডিএসই) ব্রোকারেজ হাউজ কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি অবগত করে। নতুন সফটওয়্যারের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য ১ এবং ১১ নভেম্বর ব্রোকারেজ হাউজের অথরাইজডদের প্রশিক্ষণ দেয় ডিএসই কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিনিয়োগকারী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই বদলে যাচ্ছে দেশের পুঁজিবাজারের চিত্র। লেনদেন, বাজার মূলধন, বিনিয়োগকারী গত কয়েক বছরে উল্লেখ্যযোগ্য হারে বেড়েছে। অর্থাৎ পরিবর্তন এসেছে সার্বিক পরিস্থিতির। এরই ধারবাহিকতায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ টেসা সফটওয়্যারে পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করেছে।
জানা যায়, বর্তমান বাজারে গ্রামীণফোনসহ কিছু কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা অধিক থাকায় তা লেনদেন করতে সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে এ সফটওয়্যার শেয়ারের লোড নিতে পারে না। ফলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়। লেনদেন করতে সময় নেয় অনেক। তাছাড়া যমুনা মবিলসহ কিছু কোম্পানি প্রচুর শেয়ার নিয়ে বাজারে আসছে। তখন যাতে সমস্যা আরও ব্যাপক না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে এই সফটওয়্যার আপডেট করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এ সফটওয়্যারটি সর্বশেষ আপডেট হয় প্রায় একযুগ আগে। এ প্রসঙ্গে ডিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমান পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, আগের চেয়ে বাজার এখন অনেক বেশি সম্প্রসারিত। সেজন্য এ সফটওয়্যারের নতুনত্ব দিতে যাচ্ছে। আশা করা যায় এ সফটওয়্যার চালু করতে পারলে লেনদেন আরও অনেক সহজ হবে।
অন্যদিকে একই বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসইর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাজারের বর্তমান যে পরিস্থিতি, এ পরিস্থিতে অনেক আগেই সফটওয়্যারটি আপডেট হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দেরি হলেও সেটি করা যাচ্ছে, যা ব্রোকারেজ হাউজ, বিনিয়োগকারীসহ সবার উপকারে আসবে। কারণ, বর্তমানে যে সফটওয়্যার রয়েছে তা দিয়ে লেনদেন করতে মাঝে মাঝেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
অন্যদিকে নতুন এ সফটওয়্যার প্রসঙ্গে ব্রোকারেজ হাউজ কর্তৃপক্ষ এবং বিনিয়োগকারীরা বলেন, সফটওয়্যার আপডেট করা ছিল সময়ের দাবি। দেরিতে হলেও ডিএসই কর্তৃপক্ষ তা করতে যাচ্ছে এর জন্য তারা (ডিএসই কর্তৃপক্ষ) অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য।
এ বিষয়ে সিনথিয়া ব্রোকারেজ হাউজের একজন কর্মকর্তা বলেন, এটি তাদের সময় উপযোগী পদক্ষেপ। নতুন এ সফটওয়্যার লেনদেন করতে কতোটা সাহায্যে করবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতটুকু জানি বর্তমান যে সফটওয়্যার রয়েছে আর যেটি আসছে তা হবে আরও আধুনিক। সবচেয়ে যে উপকার হবে তা হচ্ছে শট সেলের প্রবণতা কমে আসবে। অনেকে আছেন যারা মাইনাসে ব্যবসা করে থাকেন। সফটওয়্যার আটডেট করা হলে তারা এ সুযোগ নিতে পারবে না।
অন্যদিকে এ ব্যাপারে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, বর্তমানে যে সফটওয়্যার রয়েছে তাতে লেনদেন করতে বিভিন্ন সমস্যা হয়। কখনো কখনো দেখা যায় শেয়ার হ্যাং হয়ে গেছে। সেই সময় তারা শেয়ার কেনাবেচা করতে পারে না। অনেক সময় তাদের পড়তে হয় শট সেলের কবলে। সেজন্য অতিদ্রুত এ সফটওয়্যারের পরিবর্তন হওয়া দরকার। তারা আরও বলেন, ডিএসইর এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। তবে এর বাস্তবায়ন হতে হবে দ্রুত।
উল্লেখ্য, সফটওয়্যার সংক্রান্ত বিষয়টি কার্যকর করার জন্য অক্টোবর মাসে ডিএসই থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে তারা (ডিএসই) ব্রোকারেজ হাউজ কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি অবগত করে। নতুন সফটওয়্যারের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য ১ এবং ১১ নভেম্বর ব্রোকারেজ হাউজের অথরাইজডদের প্রশিক্ষণ দেয় ডিএসই কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিনিয়োগকারী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই বদলে যাচ্ছে দেশের পুঁজিবাজারের চিত্র। লেনদেন, বাজার মূলধন, বিনিয়োগকারী গত কয়েক বছরে উল্লেখ্যযোগ্য হারে বেড়েছে। অর্থাৎ পরিবর্তন এসেছে সার্বিক পরিস্থিতির। এরই ধারবাহিকতায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ টেসা সফটওয়্যারে পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করেছে।
জানা যায়, বর্তমান বাজারে গ্রামীণফোনসহ কিছু কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা অধিক থাকায় তা লেনদেন করতে সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে এ সফটওয়্যার শেয়ারের লোড নিতে পারে না। ফলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়। লেনদেন করতে সময় নেয় অনেক। তাছাড়া যমুনা মবিলসহ কিছু কোম্পানি প্রচুর শেয়ার নিয়ে বাজারে আসছে। তখন যাতে সমস্যা আরও ব্যাপক না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে এই সফটওয়্যার আপডেট করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এ সফটওয়্যারটি সর্বশেষ আপডেট হয় প্রায় একযুগ আগে। এ প্রসঙ্গে ডিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমান পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, আগের চেয়ে বাজার এখন অনেক বেশি সম্প্রসারিত। সেজন্য এ সফটওয়্যারের নতুনত্ব দিতে যাচ্ছে। আশা করা যায় এ সফটওয়্যার চালু করতে পারলে লেনদেন আরও অনেক সহজ হবে।
অন্যদিকে একই বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসইর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাজারের বর্তমান যে পরিস্থিতি, এ পরিস্থিতে অনেক আগেই সফটওয়্যারটি আপডেট হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দেরি হলেও সেটি করা যাচ্ছে, যা ব্রোকারেজ হাউজ, বিনিয়োগকারীসহ সবার উপকারে আসবে। কারণ, বর্তমানে যে সফটওয়্যার রয়েছে তা দিয়ে লেনদেন করতে মাঝে মাঝেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
অন্যদিকে নতুন এ সফটওয়্যার প্রসঙ্গে ব্রোকারেজ হাউজ কর্তৃপক্ষ এবং বিনিয়োগকারীরা বলেন, সফটওয়্যার আপডেট করা ছিল সময়ের দাবি। দেরিতে হলেও ডিএসই কর্তৃপক্ষ তা করতে যাচ্ছে এর জন্য তারা (ডিএসই কর্তৃপক্ষ) অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য।
এ বিষয়ে সিনথিয়া ব্রোকারেজ হাউজের একজন কর্মকর্তা বলেন, এটি তাদের সময় উপযোগী পদক্ষেপ। নতুন এ সফটওয়্যার লেনদেন করতে কতোটা সাহায্যে করবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতটুকু জানি বর্তমান যে সফটওয়্যার রয়েছে আর যেটি আসছে তা হবে আরও আধুনিক। সবচেয়ে যে উপকার হবে তা হচ্ছে শট সেলের প্রবণতা কমে আসবে। অনেকে আছেন যারা মাইনাসে ব্যবসা করে থাকেন। সফটওয়্যার আটডেট করা হলে তারা এ সুযোগ নিতে পারবে না।
অন্যদিকে এ ব্যাপারে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, বর্তমানে যে সফটওয়্যার রয়েছে তাতে লেনদেন করতে বিভিন্ন সমস্যা হয়। কখনো কখনো দেখা যায় শেয়ার হ্যাং হয়ে গেছে। সেই সময় তারা শেয়ার কেনাবেচা করতে পারে না। অনেক সময় তাদের পড়তে হয় শট সেলের কবলে। সেজন্য অতিদ্রুত এ সফটওয়্যারের পরিবর্তন হওয়া দরকার। তারা আরও বলেন, ডিএসইর এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। তবে এর বাস্তবায়ন হতে হবে দ্রুত।
No comments:
Post a Comment