পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক শেয়ারের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেন হয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। সপ্তাহের শুরুতেই ডিএসইর লেনদেন ৩ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা হয়েছে, যা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন। এরআগে গত ৩১ অক্টোবর ডিএসইতে ৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। গতকাল এক সঙ্গে শেয়ার লেনদেন, বাজার মূলধন ও সবধরনের সূচকে রেকর্ড হয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেনকৃত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হলেও লেনদেন বেড়েছে। পাশাপাশি সূচক পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮০ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৯১৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জেকে নতুন উচ্চতায় উঠাতে চালকের আসনে ছিল ব্যাংক ও বীমা।
তবে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই অব্যাহত ঊর্ধ্বমুখীতে হতাশা প্রকাশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। রোববার সকালে এসইসির বাজার পর্যালোচনা সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ক্রমাগত ঊর্ধমূখী অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রনের সকল হাতিয়ার ব্যর্থ হয়েছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি ওই সভায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন কোম্পানি বছর শেষে ভালো লভ্যাংশ দেবে এমন আশায় বিনিয়োগকারীদের উজ্জ্বীবিত করেছে। ফলে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমলেও লেনদেন বেড়েছে।
এ ব্যাপারে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ব্যাংক ও বীমা যেভাবে বাড়ছে এটি টেকসই হবে না। বিনিয়োগকারীরা যেভাবে এই খাতের দিকে ঝুকছে এটি তাদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। বাজারে কিছু বিনিয়োগকারী গেইমলিং করার কারণেই শেয়ারের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় না হলেও বাজার শিগগিরই সংশোধন হবে।
রোববার ডিএসইতে মোট ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৫০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ার।
ডিএসইর সাবেক সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, ব্যাংক ও বীমা খাতের কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। ফলে লেনদেন, সূচক ও বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুঁজিবাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগের দিনের ধারাবাহিকতায় রোববারের লেনদেনের শুরুতেই ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধি পেতে থাকে, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বজায় ছিল। ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় সিংহভাগ লেনদেন হয়েছে এ তিন সেক্টরে। তবে জ্বালানি, প্রকৌশল, খাদ্য ও অনুষঙ্গ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ওষুধ, বস্ত্র ও বিবিধ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। একই সাথে এসব খাতের কোম্পানিতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, লেনদেনে অংশ নেয়া ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ১৫টির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ব্যাংকের শেয়ারের দর বেড়েছে। এসব ব্যাংক আগামীতে অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় নামিয়ে আনবে এমন খবরে দাম বেড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গতকাল এবি ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৬৮ টাকা। মোট ৮ লাখ ৪ হাজার ২৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ছিল ১৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১০৯ টাকা, মোট ১২ লাখ ২৮ হাজার ২১০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ছিল ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। সাউথইস্ট ব্যাংকের মোট ১৭ লাখ ১৬ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ছিল ১১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া প্রাইম ব্যাংকের ৯৪ কোটি, সিটি ব্যাংকের ৮৭ কোটি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ৭০ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে ৪৪টি বীমা কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টির দাম বেড়েছে। প্রকৌশল খাতের ৫ কোম্পানির দাম বেড়েছে এবং ১৫ কোম্পানির দাম কমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১২টির দাম বেড়েছে এবং ৯টির দাম কমেছে। সিমেন্ট, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতের সবকটি কোম্পানির দরপতন হয়েছে। ডিএসইর বাজার মূলধন আগের দিনের চেয়ে ২ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে।
ডিএসইতে দরবৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হচ্ছে- ইসলামী ব্যাংক, কেয়া ডিটারজেন্ট, সিটি ব্যাংক, এইচ আর টেক্সটাইল, প্রিমিয়ার লিজিং, সায়হাম টেক্সটাইল, ন্যাশনাল টিউবস, এবি ব্যাংক, বিডি থাই ও ইসলামিক ফাইন্যান্স। এদিকে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সায়হাম টেক্সটাইল ও এইচআর টেক্সটাইলের লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ডিএসই। অন্যদিকে দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলোÑ ফার্মা এইডস, মিথুন নিটিং, তাল্ল স্পিনিং, বঙ্গজ, সিএমসি কামাল, আজিজ পাইপস, দেশ গার্মেন্টস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, সাফকো স্পির্নাস ও এম্বী ফার্মা।
তবে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই অব্যাহত ঊর্ধ্বমুখীতে হতাশা প্রকাশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। রোববার সকালে এসইসির বাজার পর্যালোচনা সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ক্রমাগত ঊর্ধমূখী অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রনের সকল হাতিয়ার ব্যর্থ হয়েছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি ওই সভায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন কোম্পানি বছর শেষে ভালো লভ্যাংশ দেবে এমন আশায় বিনিয়োগকারীদের উজ্জ্বীবিত করেছে। ফলে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমলেও লেনদেন বেড়েছে।
এ ব্যাপারে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ব্যাংক ও বীমা যেভাবে বাড়ছে এটি টেকসই হবে না। বিনিয়োগকারীরা যেভাবে এই খাতের দিকে ঝুকছে এটি তাদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। বাজারে কিছু বিনিয়োগকারী গেইমলিং করার কারণেই শেয়ারের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় না হলেও বাজার শিগগিরই সংশোধন হবে।
রোববার ডিএসইতে মোট ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৫০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ার।
ডিএসইর সাবেক সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, ব্যাংক ও বীমা খাতের কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। ফলে লেনদেন, সূচক ও বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুঁজিবাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগের দিনের ধারাবাহিকতায় রোববারের লেনদেনের শুরুতেই ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধি পেতে থাকে, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বজায় ছিল। ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় সিংহভাগ লেনদেন হয়েছে এ তিন সেক্টরে। তবে জ্বালানি, প্রকৌশল, খাদ্য ও অনুষঙ্গ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ওষুধ, বস্ত্র ও বিবিধ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। একই সাথে এসব খাতের কোম্পানিতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, লেনদেনে অংশ নেয়া ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ১৫টির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ব্যাংকের শেয়ারের দর বেড়েছে। এসব ব্যাংক আগামীতে অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় নামিয়ে আনবে এমন খবরে দাম বেড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গতকাল এবি ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৬৮ টাকা। মোট ৮ লাখ ৪ হাজার ২৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ছিল ১৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১০৯ টাকা, মোট ১২ লাখ ২৮ হাজার ২১০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ছিল ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। সাউথইস্ট ব্যাংকের মোট ১৭ লাখ ১৬ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ছিল ১১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া প্রাইম ব্যাংকের ৯৪ কোটি, সিটি ব্যাংকের ৮৭ কোটি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ৭০ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে ৪৪টি বীমা কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টির দাম বেড়েছে। প্রকৌশল খাতের ৫ কোম্পানির দাম বেড়েছে এবং ১৫ কোম্পানির দাম কমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১২টির দাম বেড়েছে এবং ৯টির দাম কমেছে। সিমেন্ট, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতের সবকটি কোম্পানির দরপতন হয়েছে। ডিএসইর বাজার মূলধন আগের দিনের চেয়ে ২ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে।
ডিএসইতে দরবৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হচ্ছে- ইসলামী ব্যাংক, কেয়া ডিটারজেন্ট, সিটি ব্যাংক, এইচ আর টেক্সটাইল, প্রিমিয়ার লিজিং, সায়হাম টেক্সটাইল, ন্যাশনাল টিউবস, এবি ব্যাংক, বিডি থাই ও ইসলামিক ফাইন্যান্স। এদিকে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সায়হাম টেক্সটাইল ও এইচআর টেক্সটাইলের লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ডিএসই। অন্যদিকে দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলোÑ ফার্মা এইডস, মিথুন নিটিং, তাল্ল স্পিনিং, বঙ্গজ, সিএমসি কামাল, আজিজ পাইপস, দেশ গার্মেন্টস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, সাফকো স্পির্নাস ও এম্বী ফার্মা।

No comments:
Post a Comment