![]() |
| Dhaka stock exchange General Index |
গত সপ্তাহের নজিরবিহীন দরপতনের ঘটনা পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আবারও বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের ধারণাই সত্যে পরিণত হলো। রোববার সপ্তাহের প্রথম লেনদেন দিবসেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ কোম্পানির বড় ধরনের দরপতনে ২৮৪ পয়েন্ট সূচক হারিয়েছে। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে একদিনে এটাই এখন সূচকের সর্বোচ্চ দরপতন। ডিএসইতে এর আগে ১৯৯৬ সালের ৫ নভেম্বর একদিনে ২৩৩ পয়েন্ট সাধারণ সূচকের পতন হয়েছিল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সূচকের পতন হয়েছিল ২০১০ সালের ২৫ জুলাই। এদিন ২০৪ পয়েন্ট সূচক হারায়।
রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সিমেন্ট ও আইটি খাতের প্রায় সব শেয়ারের দর কমেছে। এদিন ২৪৫টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫১টির এবং কমেছে ১৯১টি কোম্পানির শেয়ার এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হলেও বাজার বিশ্লেষকরা কোনো ধরনের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে পুঁজিবাজারের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর অতি মূল্যায়িত হওয়ায় বর্তমানে বাজার সংশোধন হয়েছে। তবে শিগগিরই এটি ঠিক হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
তারা আরও জানান, ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি পুঁজিবাজারের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এখানে উত্থান-পতন থাকবেই। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই ঊর্ধ্বগতির ফলে বাজারে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়েছে। তাই অতি মূল্যায়িত বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক হয়ে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বছর শেষ হওয়ায় ব্যাংকগুলো তাদের পোর্টফোলিও পূণর্বিন্যাস করছে। এ কারণেও বাজার সংশোধন হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খাঁন বলেন, গত সপ্তাহের বাজারে দরপতনের কারণ ছিল এসইসির সার্কুলার জারি। কিন্তু গতকালের বাজার সংশোধন ছিল অস্বাভাবিক। তবে শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত হওয়ায় এই দরপতন হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সম্পর্কে ডিএসইর সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আহমেদ রশিদ লালী তিনটি বিষয় উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতœবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়ায় তারা এই মূহূর্তে বাজারে প্রবেশ করছে না, দ্বিতীয়ত- ব্যাংকিং সেক্টরে প্রফিট টেকিংয়ের কারণে এটি অন্য সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়েছে। তৃতীয়ত- বছর শেষ হওয়ার কারণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পোর্টফোলিও পূণর্বিন্যাস করছে। এর ফলে বাজারে মূল্য সংশোধন হয়েছে। তবে তিনি বলেন, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাজার খুব দ্রুত সময়েই মূল্য সংশোধন কাটিয়ে উঠবে। বিনিয়োগকারীদের কোনো অবস্থাতেই লোকসানে মৌলভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার বিক্রি করা ঠিক হবে না।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, রোববার লেনদেনের শুরু থেকেই পুঁজিবাজারের অধিকাংশ শেয়ারের দর হ্রাস পেতে থাকে। ফলে লেনদেনের প্রথম ৪৫ মিনিটেই ১২০ পয়েন্টের বেশি সূচকের পতন ঘটে। তবে বেলা ১২টার দিকে কিছু সময়ের জন্য হারানো সূচক কিছুটা পুনরুদ্ধার হলেও বেশিণ তা ধরে রাখতে পারেনি ডিএসই। গতকাল অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের বড় ধরনের দরপতনের ফলে দিন শেষে সূচক ২৮৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৮ হাজার ২৯৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অন্যদিকে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতন ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের শেয়ারের মধ্যে সব কয়টির, ২১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০টির এবং ৪৩টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ৪২টির শেয়ারের দাম কমেছে। তবে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে। দিনশেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭১৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে ৯৫ কোটি টাকা বেশি।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৪৫টি কোম্পানি ১৪ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৬০৯টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৭১৭ কোটি ৩৬ লাখ ৬৪ হাজার ২২৬ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৮৪.৭৮ পয়েন্ট কমে ৮২৯৫.৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৯৮.৬৫ পয়েন্ট কমে ৪৯২৪.৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে একমাত্র মিউচ্যুয়াল ফান্ড ছাড়া সবগুলো খাতের শেয়ারের দরে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। তবে এর মধ্যে ব্যাংক খাতের দর হ্রাস ছিল উল্লেখ করার মতো। অপরদিকে চারদিন পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হওয়ায় মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর ইউনিট প্রতি সম্পদমূল্য কমে গেছে। এছাড়া গত কয়েক মাসের লেনদেন চিত্রেও অনেকটা পরিবর্তন ল্য করা গেছে। বিগত কয়েক মাসে লেনদেন দুই হাজার কোটি টাকার বেশি থাকলেও রোববার লেনদেন হয়েছে ১৭১৭ কোটি টাকা।
রোববার অধিকাংশ কোম্পানির দর পতন হলেও ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল লি., আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সিমকো লি., এবি ব্যাংক লি., লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, মালেক স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, শাইনপুকুর সিরামিকস, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংক লি.। দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কো¤পানি হলো- সাভার রিফ্রেক্টরীজ, গ্রামীণ স্কীম-২, সোনালী আঁশ, মুন্নু স্টাফলার, দেশ গার্মেন্টস, ৮ম আইসিবি, ৬ষ্ঠ আইসিবি, ফার্মা এইড, ৭ম আইসিবি ও স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি., স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লি., প্রভাতী ইন্সুরেন্স, সাউথইস্ট ব্যাংক লি., অগ্রণী ইন্সুরেন্স কোং লি., সোনারবাংলা ইন্সুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স, সিটি ব্যাংক লি. ও রূপালী ব্যাংক লি.। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে- ৩ লাখ ৪৮ হাজার ০৭৮ কোটি টাকা।
রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সিমেন্ট ও আইটি খাতের প্রায় সব শেয়ারের দর কমেছে। এদিন ২৪৫টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫১টির এবং কমেছে ১৯১টি কোম্পানির শেয়ার এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হলেও বাজার বিশ্লেষকরা কোনো ধরনের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে পুঁজিবাজারের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর অতি মূল্যায়িত হওয়ায় বর্তমানে বাজার সংশোধন হয়েছে। তবে শিগগিরই এটি ঠিক হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
তারা আরও জানান, ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি পুঁজিবাজারের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এখানে উত্থান-পতন থাকবেই। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই ঊর্ধ্বগতির ফলে বাজারে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়েছে। তাই অতি মূল্যায়িত বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক হয়ে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বছর শেষ হওয়ায় ব্যাংকগুলো তাদের পোর্টফোলিও পূণর্বিন্যাস করছে। এ কারণেও বাজার সংশোধন হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খাঁন বলেন, গত সপ্তাহের বাজারে দরপতনের কারণ ছিল এসইসির সার্কুলার জারি। কিন্তু গতকালের বাজার সংশোধন ছিল অস্বাভাবিক। তবে শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত হওয়ায় এই দরপতন হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সম্পর্কে ডিএসইর সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আহমেদ রশিদ লালী তিনটি বিষয় উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতœবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়ায় তারা এই মূহূর্তে বাজারে প্রবেশ করছে না, দ্বিতীয়ত- ব্যাংকিং সেক্টরে প্রফিট টেকিংয়ের কারণে এটি অন্য সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়েছে। তৃতীয়ত- বছর শেষ হওয়ার কারণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পোর্টফোলিও পূণর্বিন্যাস করছে। এর ফলে বাজারে মূল্য সংশোধন হয়েছে। তবে তিনি বলেন, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাজার খুব দ্রুত সময়েই মূল্য সংশোধন কাটিয়ে উঠবে। বিনিয়োগকারীদের কোনো অবস্থাতেই লোকসানে মৌলভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার বিক্রি করা ঠিক হবে না।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, রোববার লেনদেনের শুরু থেকেই পুঁজিবাজারের অধিকাংশ শেয়ারের দর হ্রাস পেতে থাকে। ফলে লেনদেনের প্রথম ৪৫ মিনিটেই ১২০ পয়েন্টের বেশি সূচকের পতন ঘটে। তবে বেলা ১২টার দিকে কিছু সময়ের জন্য হারানো সূচক কিছুটা পুনরুদ্ধার হলেও বেশিণ তা ধরে রাখতে পারেনি ডিএসই। গতকাল অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের বড় ধরনের দরপতনের ফলে দিন শেষে সূচক ২৮৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৮ হাজার ২৯৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অন্যদিকে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতন ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের শেয়ারের মধ্যে সব কয়টির, ২১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০টির এবং ৪৩টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ৪২টির শেয়ারের দাম কমেছে। তবে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে। দিনশেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭১৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে ৯৫ কোটি টাকা বেশি।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৪৫টি কোম্পানি ১৪ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৬০৯টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৭১৭ কোটি ৩৬ লাখ ৬৪ হাজার ২২৬ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৮৪.৭৮ পয়েন্ট কমে ৮২৯৫.৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৯৮.৬৫ পয়েন্ট কমে ৪৯২৪.৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে একমাত্র মিউচ্যুয়াল ফান্ড ছাড়া সবগুলো খাতের শেয়ারের দরে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। তবে এর মধ্যে ব্যাংক খাতের দর হ্রাস ছিল উল্লেখ করার মতো। অপরদিকে চারদিন পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হওয়ায় মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর ইউনিট প্রতি সম্পদমূল্য কমে গেছে। এছাড়া গত কয়েক মাসের লেনদেন চিত্রেও অনেকটা পরিবর্তন ল্য করা গেছে। বিগত কয়েক মাসে লেনদেন দুই হাজার কোটি টাকার বেশি থাকলেও রোববার লেনদেন হয়েছে ১৭১৭ কোটি টাকা।
রোববার অধিকাংশ কোম্পানির দর পতন হলেও ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল লি., আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সিমকো লি., এবি ব্যাংক লি., লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, মালেক স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, শাইনপুকুর সিরামিকস, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংক লি.। দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কো¤পানি হলো- সাভার রিফ্রেক্টরীজ, গ্রামীণ স্কীম-২, সোনালী আঁশ, মুন্নু স্টাফলার, দেশ গার্মেন্টস, ৮ম আইসিবি, ৬ষ্ঠ আইসিবি, ফার্মা এইড, ৭ম আইসিবি ও স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি., স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লি., প্রভাতী ইন্সুরেন্স, সাউথইস্ট ব্যাংক লি., অগ্রণী ইন্সুরেন্স কোং লি., সোনারবাংলা ইন্সুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স, সিটি ব্যাংক লি. ও রূপালী ব্যাংক লি.। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে- ৩ লাখ ৪৮ হাজার ০৭৮ কোটি টাকা।

No comments:
Post a Comment