ব্রোকারেজ হাউজের ওপর নজরদারি বাড়াচ্ছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা বাড়াতে সম্প্রতি এসইসি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অনিয়ম রোধে তদারকি বাড়িয়েছে এসইসি। এজন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জকেই প্রয়োজনীয় গাইডলাইন ও সার্ভিল্যান্স বিভাগকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এসইসি।
জানা যায়, সম্প্রতি ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে কোন অনিয়ম হচ্ছে কি-না তা দেখার জন্য নিয়মিত স্টক এক্সচেঞ্জকে নিয়মিত পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে এসইসি। এ ব্যাপারে এসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ওপর বিনিয়োগকারীরা নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে হাউজগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা না থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে কিছু ব্রোকারেজ হাউজ থেকে মার্জিন লোন সংক্রান্ত ও গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ওপর তদারকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এসইসি নিয়মিত নজরদারি করছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই এসইসি বিনিয়োগকারীদের ঋণ-সুবিধা দেয় এমন ৫৪ প্রতিষ্ঠানের কাছে শীর্ষ ২ হাজার ৭০০ গ্রাহকের বিনিয়োগ তথ্য জরুরি ভিত্তিতে জানতে চায়। ওই ৫৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ২৬টি ব্রোকারেজ হাউজ এবং ২৮টি মার্চেন্ট ব্যাংক। এসব তথ্যে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মার্জিন লোন প্রদানে অনিয়ম ধরা পড়ে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে নতুন করে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়।
ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ আগস্ট স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর বাজার তদারকি ও সার্বিক কার্যক্রমে ক্ষোভ প্রকাশ করে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (এসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) প্রতি সপ্তাহের শুরুতে তাদের কার্যক্রমের প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেয়।
জানা যায়, এসইসির সার্ভেল্যান্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে বাজারের ১১টি বিষয়ে তদারকি করে প্রতি সপ্তাহের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। চিঠিতে বাজার সংশ্লিষ্ট গুজব, বেপরোয়া লেনদেনের তথ্য, শেয়ার ক্রয়ের বিপরীতে ঋণসীমা অমান্য, অথরাইজ রিপ্রেজেন্টেটিভদের কার্যক্রম, কোম্পাানির আর্থিক প্রতিবেদনে গড়মিল, ১৯৯৮ সালের এসইসির বাজার আইন অমান্য, শর্টসেল, প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বাণিজ্য, নন সেটেলমেন্ট ইস্যু এবং আরও কয়েকটি বিষয়ে এসইসিতে প্রতি সপ্তাহে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অনিয়মের কারণে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে এসইসি ও ডিএসইর মনিটরিং বিভাগ সক্রিয় থাকলে এই অনাস্থা কেটে যাবে যাবে।
বি. দ্র. : এ লেখাটি ২২ আগস্ট দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত হবে (শিল্প-বাণিজ্য পাতা)।
এমএম মাসুদ
জানা যায়, সম্প্রতি ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে কোন অনিয়ম হচ্ছে কি-না তা দেখার জন্য নিয়মিত স্টক এক্সচেঞ্জকে নিয়মিত পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে এসইসি। এ ব্যাপারে এসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ওপর বিনিয়োগকারীরা নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে হাউজগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা না থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে কিছু ব্রোকারেজ হাউজ থেকে মার্জিন লোন সংক্রান্ত ও গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ওপর তদারকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এসইসি নিয়মিত নজরদারি করছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই এসইসি বিনিয়োগকারীদের ঋণ-সুবিধা দেয় এমন ৫৪ প্রতিষ্ঠানের কাছে শীর্ষ ২ হাজার ৭০০ গ্রাহকের বিনিয়োগ তথ্য জরুরি ভিত্তিতে জানতে চায়। ওই ৫৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ২৬টি ব্রোকারেজ হাউজ এবং ২৮টি মার্চেন্ট ব্যাংক। এসব তথ্যে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মার্জিন লোন প্রদানে অনিয়ম ধরা পড়ে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে নতুন করে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়।
ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ আগস্ট স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর বাজার তদারকি ও সার্বিক কার্যক্রমে ক্ষোভ প্রকাশ করে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (এসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) প্রতি সপ্তাহের শুরুতে তাদের কার্যক্রমের প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেয়।
জানা যায়, এসইসির সার্ভেল্যান্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে বাজারের ১১টি বিষয়ে তদারকি করে প্রতি সপ্তাহের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। চিঠিতে বাজার সংশ্লিষ্ট গুজব, বেপরোয়া লেনদেনের তথ্য, শেয়ার ক্রয়ের বিপরীতে ঋণসীমা অমান্য, অথরাইজ রিপ্রেজেন্টেটিভদের কার্যক্রম, কোম্পাানির আর্থিক প্রতিবেদনে গড়মিল, ১৯৯৮ সালের এসইসির বাজার আইন অমান্য, শর্টসেল, প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বাণিজ্য, নন সেটেলমেন্ট ইস্যু এবং আরও কয়েকটি বিষয়ে এসইসিতে প্রতি সপ্তাহে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অনিয়মের কারণে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে এসইসি ও ডিএসইর মনিটরিং বিভাগ সক্রিয় থাকলে এই অনাস্থা কেটে যাবে যাবে।
বি. দ্র. : এ লেখাটি ২২ আগস্ট দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত হবে (শিল্প-বাণিজ্য পাতা)।
এমএম মাসুদ
No comments:
Post a Comment