ঢাকা শেয়ারবাজারে (ডিএসই) গতকাল সোমবার সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের মূল্য সংশোধনে সাধারণ সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও আর্থিক লেনদেন বেড়েছে। গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক ১৯ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৪১ পয়েন্টে। এছাড়া গতকাল মোট ১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ১৩৪ কোটি টাকা বেশি। শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। গতকাল লেনদেন হওয়া মোট ২৫৪টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১১০টির, কমেছে ১৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কিছুটা কমেছে। রোববার পুঁজিবাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার জারির পর সোমবার অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরে কিছুটা সংশোধন হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগসীমা নির্ধারণ করলেও এর প্রভাব পড়েছে ব্যাংকিং খাতে। এর ফলে সোমবার সবগুলো ব্যাংকের শেয়ারের দর কমেছে। সোমবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯টি প্রতিষ্ঠানেরই শেয়ারের দর কমেছে। বেড়েছে আইসিবি ও ফিনিক্স ফাইন্যান্সের শেয়ারের দর।
এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ বৈচিত্র্যেও ভাটা পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠান অন্য খাতে বিনিয়োগ কমিয়ে শুধুমাত্র শেয়ারবাজার কেন্দ্রিক বিনিয়োগে বেশি মনোযোগী হয়ে উঠেছে। স্বল্পসময়ে মুনাফার লোভে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোন কোনটি তাদের পরিশোধিত মূলধন এবং রিজার্ভের চেয়েও বেশি বিনিয়োগ করছে শেয়ারবাজারে। শেয়ারবাজারে তাদের এ বিনিয়োগ অনেক ঝুঁকি তৈরি করছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ বিনিয়োগসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
খাত ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের ৩০টি কোম্পনির মধ্যে সবগুলো ব্যাংকের দরপতন হয়েছে। শেয়ারের দর কমার মধ্যে সব চেয়ে বেশি কমেছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দর ৪৩ টাকা কমেছে। এদিন প্রতিষ্ঠাটির ১৮৫০ টাকা থেকে ১৯৫০ টাকায় লেনদেন হয়। কমার মধ্যে এ খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ২য় অবস্থানে রয়েছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। এ প্রতিষ্ঠানের দর কমেছে ৩৪ টাকা। টেলিকম খাতের একমাত্র কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের ৪.৪০ টাকা কমেছে। প্রতিষ্ঠানটির ২৬১.৫০ টাকা থেকে ২৬৬ টাকার মধ্যে শেয়ারের লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকিং খাত থেকে তাদের লাভ তুলে নিয়েছেন। গত কয়েকদিন ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দর বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। সেজন্য এ খাতে দর সংশোধন হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ব্যাংকিং খাত থেকে লাভ তুলে অন্য খাতের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। এছাড়া প্রকৌশল, খাদ্য, বিবিধ খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৫৪টি কোম্পানির ৯ কোটি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৭৬টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। টাকার অঙ্কে লেনদেনের পরিমাণ ১৯৮৬ কোটি ১৬ লাখ ৮২ হাজার ৪৯২ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা বেশি। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে ৩৯০১ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনে শীর্ষে থাকা (টাকায়) প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- বেক্সিমকো লি., বেক্সটেক্স, নাভানা সিএনজি, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, সামিট পাওয়ার, প্রাইম ফিন্যান্স, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও আফতাব অটোমোবাইলস লি.। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা গতকালের প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- ইনটেক অনলাইন, অগ্নি সিস্টেম লি., বিডি কম, আইএসএন লি., সোনারগাঁও টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস, নিটোল ইন্স্যুরেন্স ও পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। দর কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- ১ম প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, কনফিডেন্স সিমেন্ট, মুন্নু স্টাফলার, চিটাগাং ভেজিটেবলস, বিআইএফসি, ইস্টার্ন কেবলস, বিডি ফিন্যান্স, মাইডাস ফিন্যান্স, বাটা সু কোম্পানি লি. ও দেশ গার্মেন্ট। গতকাল ডিএসই’র বাজার মূলধন ৩ লাখ ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৩ টাকা।
এমএম মাসুদ
জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কিছুটা কমেছে। রোববার পুঁজিবাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার জারির পর সোমবার অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরে কিছুটা সংশোধন হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগসীমা নির্ধারণ করলেও এর প্রভাব পড়েছে ব্যাংকিং খাতে। এর ফলে সোমবার সবগুলো ব্যাংকের শেয়ারের দর কমেছে। সোমবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯টি প্রতিষ্ঠানেরই শেয়ারের দর কমেছে। বেড়েছে আইসিবি ও ফিনিক্স ফাইন্যান্সের শেয়ারের দর।
এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ বৈচিত্র্যেও ভাটা পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠান অন্য খাতে বিনিয়োগ কমিয়ে শুধুমাত্র শেয়ারবাজার কেন্দ্রিক বিনিয়োগে বেশি মনোযোগী হয়ে উঠেছে। স্বল্পসময়ে মুনাফার লোভে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোন কোনটি তাদের পরিশোধিত মূলধন এবং রিজার্ভের চেয়েও বেশি বিনিয়োগ করছে শেয়ারবাজারে। শেয়ারবাজারে তাদের এ বিনিয়োগ অনেক ঝুঁকি তৈরি করছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ বিনিয়োগসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
খাত ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের ৩০টি কোম্পনির মধ্যে সবগুলো ব্যাংকের দরপতন হয়েছে। শেয়ারের দর কমার মধ্যে সব চেয়ে বেশি কমেছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দর ৪৩ টাকা কমেছে। এদিন প্রতিষ্ঠাটির ১৮৫০ টাকা থেকে ১৯৫০ টাকায় লেনদেন হয়। কমার মধ্যে এ খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ২য় অবস্থানে রয়েছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। এ প্রতিষ্ঠানের দর কমেছে ৩৪ টাকা। টেলিকম খাতের একমাত্র কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের ৪.৪০ টাকা কমেছে। প্রতিষ্ঠানটির ২৬১.৫০ টাকা থেকে ২৬৬ টাকার মধ্যে শেয়ারের লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকিং খাত থেকে তাদের লাভ তুলে নিয়েছেন। গত কয়েকদিন ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দর বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। সেজন্য এ খাতে দর সংশোধন হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ব্যাংকিং খাত থেকে লাভ তুলে অন্য খাতের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। এছাড়া প্রকৌশল, খাদ্য, বিবিধ খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৫৪টি কোম্পানির ৯ কোটি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৭৬টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। টাকার অঙ্কে লেনদেনের পরিমাণ ১৯৮৬ কোটি ১৬ লাখ ৮২ হাজার ৪৯২ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা বেশি। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে ৩৯০১ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনে শীর্ষে থাকা (টাকায়) প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- বেক্সিমকো লি., বেক্সটেক্স, নাভানা সিএনজি, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, সামিট পাওয়ার, প্রাইম ফিন্যান্স, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও আফতাব অটোমোবাইলস লি.। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা গতকালের প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- ইনটেক অনলাইন, অগ্নি সিস্টেম লি., বিডি কম, আইএসএন লি., সোনারগাঁও টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস, নিটোল ইন্স্যুরেন্স ও পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। দর কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- ১ম প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, কনফিডেন্স সিমেন্ট, মুন্নু স্টাফলার, চিটাগাং ভেজিটেবলস, বিআইএফসি, ইস্টার্ন কেবলস, বিডি ফিন্যান্স, মাইডাস ফিন্যান্স, বাটা সু কোম্পানি লি. ও দেশ গার্মেন্ট। গতকাল ডিএসই’র বাজার মূলধন ৩ লাখ ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৩ টাকা।
এমএম মাসুদ
No comments:
Post a Comment