ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৮ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সূচকে এক হাজার পয়েন্ট বেড়ে সাধারণ মূল্যসূচক প্রথমবারের মতো ডিএসই‘তে ৮০০০ পয়েন্টের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর ডিএসইর ইতিহাসে প্রথম সাধারণ সূচক ৭ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে। অপর দিকে গত ২৩ মে ডিএসই সাধারণ সূচক ৬ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক স্পর্শ করে। মঙ্গলবার বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বাড়ায় সাধারণ সূচক আট হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে দিন শেষে তা দাঁড়িয়েছে ৮০৮৩ পয়েন্টে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে বাজার মূলধন ও উভয় সূচক বৃদ্ধিসহ মোট তিন রের্কড গড়ে। মঙ্গলবার ডিএসইর বাাজার মূলধন ৩ লাখ ৪০ হাজার ৫১১ কোটি ৫০ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৮ টাকায় পৌছায়। এটি ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজার মূলধন।
শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক রেকর্ড এবং শেয়ারের উর্ধগতিতে ডিএসই‘তে সাধারণ সূচক ৮০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। একদিকে শেয়ারের সঙ্কট অন্যদিকে এক বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে প্রবেশ করায় লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিকাংশ শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে গেছে। এছাড়া শেয়ারে অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ঘোষণায় রেকর্ড লেনদেন ও বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে ডিএসই সূচকের নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে বলে বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এছাড়া প্রায় দুই সপ্তাহ যাবৎ বাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন চলছিল। এর পর বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখীকে খুব বেশি অস্বাভাবিকভাবে দেখছেন না বাজার বিশ্লেষকরা। এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অস্বাভাবিক হওয়ার কারণ নেই। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর বাড়ায় সূচকে মাইলফলক হয়েছে।
ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী তিনি বলেন, সামনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বুক কোজার থাকায় এবং ব্যাংকগুলো সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে বেশ লাভ করায় এ খাতের শেয়ারের দাম বাড়ছে। ফলে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে। প্রথম বারের মতো মূল্যসূচক ৮ হাজার পয়েন্ট অতিক্রমমকে শেয়ারবাজারের জন্য ভালো দিক বলেও মন্তব্য করেন শাকিল রিজভী। তিনি বলেন, এটি ধরে রাখার জন্য দ্রুত সময়ে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে।
অন্যদিকে প্রাইম ফাইন্যান্স এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ব্যবন্থাপনা পরিচালক মঈন আল কাসেম বলেন, গত কয়েকদিন বাজার কিছুটা নিম্নমুখী থাকায় বাজারে নতুন ক্রেতা প্রবেশ করেছে। ফলে বাজার চাঙা হয়ে উঠেছে।
এছাড়া কয়েকদিন ধরে সূচক লেনদেনের সময় আট হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করার পরও দিন শেষে তা আট হাজারের নিচে নেমে যাচ্ছিল। তবে গতকাল দিন শেষে সূচকের আর অবনতি হয়নি। এদিন সাধারণ মূল্য সূচক ৮ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করার পিছনে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪২টির, কমেছে ৯০টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
মঙ্গলবার লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় বাজার মূলধনেও নতুন রের্কড হয়েছে। এদিন বাজার মূলধন আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বেড়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৫১১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। তবে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ৯৭ কোটি টাকা কমে ২ হাজার ৩২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়।
মঙ্গলবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় সাধারণ সূচক ১০৮.৯৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৮০৮৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ডিএসআই সূচক ৮৫.৮৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭১২.৬৯ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। সূচকের এ নতুন অবস্থান ডিএসইর জন্য নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ডিএসইর সাধারণ সূচক ৫ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে। ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর গ্রামীণ ফোনের লেনদেন শুরুর দিন সাধারণ সূচক একদিনে ৭০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে ৪০০০ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে। মূলত গ্রামীণ ফোন কোম্পানির শেয়াারবাজারে লেনদেনের পর থেকেই সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তবে গত ৩০ কার্যদিবসে সূচকের ১০০০ পয়েন্ট বৃদ্ধিতে গ্রামীণ ফোনের কোন ভূমিকা ছিল না। অভিহিত মূল্য পরিবর্তন ও রাইট ইস্যুর ঘোষণায় ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের অব্যাহত দর বাড়ায় ডিএসইর সব ধরনের সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
মঙ্গলবার ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে চাঙাভাব দেখা গেছে। ব্যাংকিং খাতের ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির, বিমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ২৯টির ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টির মধ্যে ১৬টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য খাতে মিশ্রভাব দেখা গেছে। তবে টেলিযোগাযোগ খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম গত চার দিন কমের দিকে থাকার পর আজ ১১.৪০ টাকা বেড়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- পিপলস লিজিং ফাইন্যান্স এন্ড সার্ভিসেস লি., কনফিডেন্স সিমেন্ট, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট কমার্স ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লি., বেক্সিমকো লি., সিটি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংক। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- মুন্নু সিরামিকস, বিএসআরএম স্টিল, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বঙ্গজ লি., রেকিট বেঙ্কাইজার, মুন্নু স্টাফলার, পাওয়ার গ্রিড, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি. ও উত্তরা ব্যাংক। দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- উসমানিয়া গ্লাস, কোহিনুর কেমিক্যালস, বিডি ওয়েল্ডিং, জেমীনি সি ফুডস, দুলামিয়া কটন, হাক্কানী পাল্প, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কেয়া ডিটারজেন্ট, লীগেসী ফুটওয়্যার ও রহিমা ফুডস।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে বাজার মূলধন ও উভয় সূচক বৃদ্ধিসহ মোট তিন রের্কড গড়ে। মঙ্গলবার ডিএসইর বাাজার মূলধন ৩ লাখ ৪০ হাজার ৫১১ কোটি ৫০ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৮ টাকায় পৌছায়। এটি ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজার মূলধন।
শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক রেকর্ড এবং শেয়ারের উর্ধগতিতে ডিএসই‘তে সাধারণ সূচক ৮০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। একদিকে শেয়ারের সঙ্কট অন্যদিকে এক বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে প্রবেশ করায় লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিকাংশ শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে গেছে। এছাড়া শেয়ারে অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ঘোষণায় রেকর্ড লেনদেন ও বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে ডিএসই সূচকের নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে বলে বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এছাড়া প্রায় দুই সপ্তাহ যাবৎ বাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন চলছিল। এর পর বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখীকে খুব বেশি অস্বাভাবিকভাবে দেখছেন না বাজার বিশ্লেষকরা। এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অস্বাভাবিক হওয়ার কারণ নেই। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর বাড়ায় সূচকে মাইলফলক হয়েছে।
ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী তিনি বলেন, সামনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বুক কোজার থাকায় এবং ব্যাংকগুলো সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে বেশ লাভ করায় এ খাতের শেয়ারের দাম বাড়ছে। ফলে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে। প্রথম বারের মতো মূল্যসূচক ৮ হাজার পয়েন্ট অতিক্রমমকে শেয়ারবাজারের জন্য ভালো দিক বলেও মন্তব্য করেন শাকিল রিজভী। তিনি বলেন, এটি ধরে রাখার জন্য দ্রুত সময়ে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে।
অন্যদিকে প্রাইম ফাইন্যান্স এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ব্যবন্থাপনা পরিচালক মঈন আল কাসেম বলেন, গত কয়েকদিন বাজার কিছুটা নিম্নমুখী থাকায় বাজারে নতুন ক্রেতা প্রবেশ করেছে। ফলে বাজার চাঙা হয়ে উঠেছে।
এছাড়া কয়েকদিন ধরে সূচক লেনদেনের সময় আট হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করার পরও দিন শেষে তা আট হাজারের নিচে নেমে যাচ্ছিল। তবে গতকাল দিন শেষে সূচকের আর অবনতি হয়নি। এদিন সাধারণ মূল্য সূচক ৮ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করার পিছনে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪২টির, কমেছে ৯০টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
মঙ্গলবার লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় বাজার মূলধনেও নতুন রের্কড হয়েছে। এদিন বাজার মূলধন আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বেড়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৫১১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। তবে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ৯৭ কোটি টাকা কমে ২ হাজার ৩২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়।
মঙ্গলবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় সাধারণ সূচক ১০৮.৯৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৮০৮৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ডিএসআই সূচক ৮৫.৮৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭১২.৬৯ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। সূচকের এ নতুন অবস্থান ডিএসইর জন্য নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ডিএসইর সাধারণ সূচক ৫ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে। ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর গ্রামীণ ফোনের লেনদেন শুরুর দিন সাধারণ সূচক একদিনে ৭০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে ৪০০০ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে। মূলত গ্রামীণ ফোন কোম্পানির শেয়াারবাজারে লেনদেনের পর থেকেই সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তবে গত ৩০ কার্যদিবসে সূচকের ১০০০ পয়েন্ট বৃদ্ধিতে গ্রামীণ ফোনের কোন ভূমিকা ছিল না। অভিহিত মূল্য পরিবর্তন ও রাইট ইস্যুর ঘোষণায় ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের অব্যাহত দর বাড়ায় ডিএসইর সব ধরনের সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
মঙ্গলবার ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে চাঙাভাব দেখা গেছে। ব্যাংকিং খাতের ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির, বিমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ২৯টির ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টির মধ্যে ১৬টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য খাতে মিশ্রভাব দেখা গেছে। তবে টেলিযোগাযোগ খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম গত চার দিন কমের দিকে থাকার পর আজ ১১.৪০ টাকা বেড়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- পিপলস লিজিং ফাইন্যান্স এন্ড সার্ভিসেস লি., কনফিডেন্স সিমেন্ট, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট কমার্স ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লি., বেক্সিমকো লি., সিটি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংক। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- মুন্নু সিরামিকস, বিএসআরএম স্টিল, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বঙ্গজ লি., রেকিট বেঙ্কাইজার, মুন্নু স্টাফলার, পাওয়ার গ্রিড, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি. ও উত্তরা ব্যাংক। দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- উসমানিয়া গ্লাস, কোহিনুর কেমিক্যালস, বিডি ওয়েল্ডিং, জেমীনি সি ফুডস, দুলামিয়া কটন, হাক্কানী পাল্প, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কেয়া ডিটারজেন্ট, লীগেসী ফুটওয়্যার ও রহিমা ফুডস।

No comments:
Post a Comment