পূর্বের সব মাইলফলক ভঙ্গ করে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে স্মরণকালের সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। লেনদেন তিন হাজার কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই। পাশাপাশি দিন শেষে ডিএসইর সব ধরনের সূচক, ডিএসআই সূচক, লেনদেন, বাজার মূলধন, শেয়ার সংখ্যা এবং হাওলাতে রেকর্ড হয়েছে। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২ হাজার ৮শ’ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এটাই এখন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ লেনদেন। এর আগে গত রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২ হাজার ৪৮৯ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল, যা এখন ২য় সর্বোচ্চ লেনদেন। এরও আগে গত ১৬ জুন ডিএসইতে ২ হাজার ৪৮৬ কোটি ৪ লাখ টাকার ৩য় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল। গতকাল ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৭৪৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে ডিএসইর বাজার মূলধন ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
তবে এ ধরনের রেকর্ডে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) আরো শঙ্কিত করে তুলছে। কারণ বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসির নেয়া সব পদক্ষেপই ভেস্তে যাচ্ছে। এছাড়া
বাজারে যখন তারল্য প্রবাহ কমাতে তৎপর হয়ে উঠেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি, টিক তখনই রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন হলো শেয়ারবাজারে।
এর কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে প্রতিদিন নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে তারল্য প্রবাহ বাড়ছে। যে কারণে লেনদেন ও মূল্যসূচকে প্রতিদিনই এর প্রভাব পড়ছে। তারা আরও বলছেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান সাইজ অনুযায়ী ডিএসইতে লেনদেন সর্বোচ্চ ৮০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা হতে পারে। বিনিয়োগকারীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শেয়ারের সরবরাহ না বাড়ানো হলে খুব শিগগির পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে শেয়ারের প্রকৃত সম্পদ মূল্যের (এনএভি) ভিত্তিতে মার্জিন ঋণ ও নেটিং সুবিধা বন্ধে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জের (এসইসি) নেয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। রায় স্থগিত হওয়ায় আবারও চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ারবাজার। ফলে পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে। এসবের মধ্যেও গতকাল ডিএসইতে লেনদেনসহ কয়েকটি বিষয়ে মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
এ ব্যাপারে অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, বাজারে প্রতিদিন নতুন বিনিয়োগকারী আসছে। ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে প্রতিদিন শত শত নতুন একাউন্ট খোলা হচ্ছে। ফলে বাজারে তারল্য প্রবাহ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাজারে শেয়ারের সরবরাহ কম। কিন্তু টাকা বেশি, ফলে শেয়ারের দাম বাড়বেই। তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে লাভ হচ্ছে, বিধায় বিনিয়োগকারীরা এ বাজারের দিকে ঝুকছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ২৪১টি কোম্পানির ১৫ কোটি ৩০ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ২৮০১ কোটি ০৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫৫ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৭ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৭৪৮০ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪৪০৭ দশমিক ১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৪১টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৮৮টির, কমেছে ১৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে যে সব কোম্পানির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল- সামিট পাওয়ার, পিপলস লিজিং ফাইন্যান্স এন্ড সার্ভিসেস লি., প্রিমিয়ার ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, বেক্সিমকো লি., ইউসিবিএল, প্রাইম ফাইন্যান্স, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, স্কয়ার ফার্মা ও এবি ব্যাংক লি.। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার যে সব কোম্পানির শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সেগুলো হল- ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ইউসিবিএল, কে এন্ড কিউ, এক্সিম ব্যাংক, এম্বী ফার্মা, জেমিনি সি ফুড, ঢাকা ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- গোল্ডেন সন, এইমস ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এপেক্স উইভিং, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, দেশ গার্মেন্টস, যমুনা ব্যাংক, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স।
এমএম মাসুদ
তবে এ ধরনের রেকর্ডে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) আরো শঙ্কিত করে তুলছে। কারণ বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসির নেয়া সব পদক্ষেপই ভেস্তে যাচ্ছে। এছাড়া
বাজারে যখন তারল্য প্রবাহ কমাতে তৎপর হয়ে উঠেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি, টিক তখনই রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন হলো শেয়ারবাজারে।
এর কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে প্রতিদিন নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে তারল্য প্রবাহ বাড়ছে। যে কারণে লেনদেন ও মূল্যসূচকে প্রতিদিনই এর প্রভাব পড়ছে। তারা আরও বলছেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান সাইজ অনুযায়ী ডিএসইতে লেনদেন সর্বোচ্চ ৮০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা হতে পারে। বিনিয়োগকারীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শেয়ারের সরবরাহ না বাড়ানো হলে খুব শিগগির পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে শেয়ারের প্রকৃত সম্পদ মূল্যের (এনএভি) ভিত্তিতে মার্জিন ঋণ ও নেটিং সুবিধা বন্ধে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জের (এসইসি) নেয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। রায় স্থগিত হওয়ায় আবারও চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ারবাজার। ফলে পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে। এসবের মধ্যেও গতকাল ডিএসইতে লেনদেনসহ কয়েকটি বিষয়ে মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
এ ব্যাপারে অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, বাজারে প্রতিদিন নতুন বিনিয়োগকারী আসছে। ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে প্রতিদিন শত শত নতুন একাউন্ট খোলা হচ্ছে। ফলে বাজারে তারল্য প্রবাহ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাজারে শেয়ারের সরবরাহ কম। কিন্তু টাকা বেশি, ফলে শেয়ারের দাম বাড়বেই। তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে লাভ হচ্ছে, বিধায় বিনিয়োগকারীরা এ বাজারের দিকে ঝুকছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ২৪১টি কোম্পানির ১৫ কোটি ৩০ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ২৮০১ কোটি ০৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫৫ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৭ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৭৪৮০ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪৪০৭ দশমিক ১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৪১টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৮৮টির, কমেছে ১৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে যে সব কোম্পানির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল- সামিট পাওয়ার, পিপলস লিজিং ফাইন্যান্স এন্ড সার্ভিসেস লি., প্রিমিয়ার ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, বেক্সিমকো লি., ইউসিবিএল, প্রাইম ফাইন্যান্স, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, স্কয়ার ফার্মা ও এবি ব্যাংক লি.। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার যে সব কোম্পানির শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সেগুলো হল- ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ইউসিবিএল, কে এন্ড কিউ, এক্সিম ব্যাংক, এম্বী ফার্মা, জেমিনি সি ফুড, ঢাকা ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো- গোল্ডেন সন, এইমস ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এপেক্স উইভিং, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, দেশ গার্মেন্টস, যমুনা ব্যাংক, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স।
এমএম মাসুদ
No comments:
Post a Comment