বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ২০ মাসে ৪৮১৩ পয়েন্ট বেড়ে গেছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ২৬৪৯ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার এই সূচক ৭৪৬৩ দশমিক ৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই সময়ের মধ্যে শেয়ারবাজারে যুক্ত হয়েছেন বিপুলসংখ্যক নতুন বিনিয়োগকারী। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা বাড়াতে না পারায় তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। মূলত ব্যাপক চাহিদার কারণে অধিকাংশ শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিই সূচক বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০০৬ সালের জুন মাসে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৩৩৯ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। ২০০৭ সালের জুনে সূচক বেড়ে ২১৪৯ দশমিক ৩২ পয়েন্ট দাঁড়ায়। ২০০৯ সালের জুনে সূচক বেড়ে ৩০১০ দশমিক ২৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ওই সময় এক বছরে সূচক বেড়েছিল ১০০০ পয়েন্টরও কম। কিন্তু গত এক বছরে শেয়ারবাজারের সূচক ব্যাপক হারে বেড়েছে। গত জুনে ডিএসই সাধারণ সূচকের অবস্থান ছিল ৬১৫৩ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট। ফলে এই সময়ে এক বছরে সূচক বেড়েছে ৩১৪৩ পয়েন্ট। পরের তিন মাসে সাধারণ সূচক আরও ১৩০০ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। শেয়ারবাজারে সূচক বৃদ্ধির এই প্রবণতা অস্বাভাবিক বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দৈনিক লেনদেনের গড় ছিল প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে গড় লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ৬০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকায় দাঁড়ায়। চলতি বছরের দৈনিক লেনদেনের গড় ইতোমধ্যেই ২০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে গত ৭ অক্টোবর ২৮০১ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং করপোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। গত ২০ মাসে ডিএসই’র বাজার মূলধন ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
বিনিয়োগকারী এবং অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাল শেয়ারের যোগান না বাড়ার কারণেই শেয়ারের দর ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। দর বৃদ্ধির এই হার কোম্পানির আয় বৃদ্ধির চেয়ে বেশি হওয়ায় বাড়ছে শেয়ারের পিই অনুপাত, যা বাজারকে ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোকেই সবচেয়ে বড় সমাধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এমএম মাসুদ
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০০৬ সালের জুন মাসে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৩৩৯ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। ২০০৭ সালের জুনে সূচক বেড়ে ২১৪৯ দশমিক ৩২ পয়েন্ট দাঁড়ায়। ২০০৯ সালের জুনে সূচক বেড়ে ৩০১০ দশমিক ২৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ওই সময় এক বছরে সূচক বেড়েছিল ১০০০ পয়েন্টরও কম। কিন্তু গত এক বছরে শেয়ারবাজারের সূচক ব্যাপক হারে বেড়েছে। গত জুনে ডিএসই সাধারণ সূচকের অবস্থান ছিল ৬১৫৩ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট। ফলে এই সময়ে এক বছরে সূচক বেড়েছে ৩১৪৩ পয়েন্ট। পরের তিন মাসে সাধারণ সূচক আরও ১৩০০ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। শেয়ারবাজারে সূচক বৃদ্ধির এই প্রবণতা অস্বাভাবিক বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দৈনিক লেনদেনের গড় ছিল প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে গড় লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ৬০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকায় দাঁড়ায়। চলতি বছরের দৈনিক লেনদেনের গড় ইতোমধ্যেই ২০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে গত ৭ অক্টোবর ২৮০১ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং করপোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। গত ২০ মাসে ডিএসই’র বাজার মূলধন ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
বিনিয়োগকারী এবং অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাল শেয়ারের যোগান না বাড়ার কারণেই শেয়ারের দর ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। দর বৃদ্ধির এই হার কোম্পানির আয় বৃদ্ধির চেয়ে বেশি হওয়ায় বাড়ছে শেয়ারের পিই অনুপাত, যা বাজারকে ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোকেই সবচেয়ে বড় সমাধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এমএম মাসুদ
No comments:
Post a Comment