অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ার কারণে তিন কোম্পানির লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এ কোম্পানিগুলো হচ্ছে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড, ফাইন ফুড এবং সমতা লেদার। গতকাল ডিএসই বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এসব কোম্পানির লেনদেন স্থগিত করে দেয় বলে জানায়।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তিন কোম্পানির মধ্যে ইস্টার্ন হাউজিং ও ফাইন ফুড কোম্পানির শেয়ার লেনদেন অনিদির্ষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে। ডিএসই এ দুই কোম্পানির দর বাড়ার কারণ তদন্ত করবে। তদন্ত চলাকালীন এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।
এদিকে অস্বাভাবিকভাবে দর বাড়ার কারণে সমতা লেদারের শেয়ার লেনদেনও স্থগিত করা হয়েছে। তবে আগামীকাল এ কোম্পানির লেনদেন পুনরায় চালু হবে বলেও জানা গেছে। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ার জন্য ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার লেনদেন ১৫ মিনিট স্থগিত ছিল।
গতকাল দিনের শুরু থেকে ইস্টার্ন হাউজিং এবং ফাইন ফুডের শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকলে ১১টা ১৭ মিনিটে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের এবং ১২টা ২৮ মিনিটে ফাইন ফুড়ের লেনদেন স্থগিত করে দেয়। এদিন ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারপ্রতি দর বাড়ে ১১৯ টাকা ৭৫ পয়সা। অন্যদিকে ফাইন ফুড়ের শেয়ারপ্রতি ৬ টাকা ১০ পয়সা এবং সমতা লেদারের শেয়ারপ্রতি দর বাড়ে ২৭ টাকা ৫০ পয়সা।
লেনদেন বন্ধ করার কারণ জানতে চাইলে ডিএসইর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এ কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনকভাবে বাড়ছে। বাজারের স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষার জন্য লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।
এদিন ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার ১১৯ টাকা ৭৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১ হাজার ৪২০ টাকা ২৫ পয়সায় লেনদেন হয়। অন্যদিকে ফাইন ফুড়ের শেয়ারের দর ১৯ টাকা ১০ পয়সা বেড়ে লেনদেন হয় ৯০ টাকায়। অন্য কোম্পানি সমতা লেদারের শেয়ার প্রতি ২৭ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে লেনদেন হয় ১৯০ টাকা ২৫ পয়সায়।
এর আগে ২৩ আগস্ট ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ১৫ মিনিটের জন্য লেনদেন স্থগিত করা হয়। দর বৃদ্ধি ঠেকাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে আবারও লেনদেন চালু হয়। অন্যদিকে ১৯ আগস্ট এ কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে চিঠি দেয় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ (বাজার তদারকি) থেকে এ বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এসইসিতে এ সংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
এমএম মাসুদ
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তিন কোম্পানির মধ্যে ইস্টার্ন হাউজিং ও ফাইন ফুড কোম্পানির শেয়ার লেনদেন অনিদির্ষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে। ডিএসই এ দুই কোম্পানির দর বাড়ার কারণ তদন্ত করবে। তদন্ত চলাকালীন এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।
এদিকে অস্বাভাবিকভাবে দর বাড়ার কারণে সমতা লেদারের শেয়ার লেনদেনও স্থগিত করা হয়েছে। তবে আগামীকাল এ কোম্পানির লেনদেন পুনরায় চালু হবে বলেও জানা গেছে। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ার জন্য ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার লেনদেন ১৫ মিনিট স্থগিত ছিল।
গতকাল দিনের শুরু থেকে ইস্টার্ন হাউজিং এবং ফাইন ফুডের শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকলে ১১টা ১৭ মিনিটে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের এবং ১২টা ২৮ মিনিটে ফাইন ফুড়ের লেনদেন স্থগিত করে দেয়। এদিন ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারপ্রতি দর বাড়ে ১১৯ টাকা ৭৫ পয়সা। অন্যদিকে ফাইন ফুড়ের শেয়ারপ্রতি ৬ টাকা ১০ পয়সা এবং সমতা লেদারের শেয়ারপ্রতি দর বাড়ে ২৭ টাকা ৫০ পয়সা।
লেনদেন বন্ধ করার কারণ জানতে চাইলে ডিএসইর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এ কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনকভাবে বাড়ছে। বাজারের স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষার জন্য লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।
এদিন ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার ১১৯ টাকা ৭৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১ হাজার ৪২০ টাকা ২৫ পয়সায় লেনদেন হয়। অন্যদিকে ফাইন ফুড়ের শেয়ারের দর ১৯ টাকা ১০ পয়সা বেড়ে লেনদেন হয় ৯০ টাকায়। অন্য কোম্পানি সমতা লেদারের শেয়ার প্রতি ২৭ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে লেনদেন হয় ১৯০ টাকা ২৫ পয়সায়।
এর আগে ২৩ আগস্ট ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ১৫ মিনিটের জন্য লেনদেন স্থগিত করা হয়। দর বৃদ্ধি ঠেকাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে আবারও লেনদেন চালু হয়। অন্যদিকে ১৯ আগস্ট এ কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে চিঠি দেয় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ (বাজার তদারকি) থেকে এ বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এসইসিতে এ সংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
এমএম মাসুদ
No comments:
Post a Comment